May 30, 2026, 10:26 pm
শিরোনামঃ
সাব-রেজিস্ট্রারদের নিয়ন্ত্রক এখন টুকুর পিএস আবু বকর ! গ্রাবজো রেস্টুরেন্টের উদ্বোধন ষড়যন্ত্রের শিকার এলজিইডি অফিস সহকারী হারুন:সম্মানহানির উদ্দেশ্যে অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা প্রধানমন্ত্রীকে দুটি দুর্লভ ছবি উপহার মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাব-রেজিস্ট্রার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ! এ এম স্কুল এন্ড কলেজে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়া অনুষ্ঠিত এ এম স্কুল এ্যান্ড কলেজে রঙে-ঐতিহ্যে বর্ণিল আনন্দ-উচ্ছ্বাসে বাংলা নববর্ষ উদযাপিত সাব-রেজিস্ট্রার বদলিতে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের দুর্নীতির নেপথ্যে রমজান-মাইকেল চক্র নরসিংদীর২২তম জেলা প্রশাসক- ইসরাত জাহান কেয়া মাধবদী থানায় সেবার নতুন দিগন্ত: ওসি কামাল হোসেনের নেতৃত্বে বদলে যাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ:জানা গেলো মীরজাফরের নাম

Reporter Name

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভেনেজুয়েলায় প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে তুলে নিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র। দুর্গের মতো সুরক্ষিত বাসভবন থেকে মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তাকে যেভাবে তুলে নেওয়া হলো, খুব কাছের কারও সাহায্য ছাড়া কি সেটা আদৗ সম্ভব ছিল?

এপ্রসঙ্গে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, মার্কিন বাহিনীর এই অভিযান এত সহজ হয়ে গিয়েছিল মূলত একজন বিশ্বাসঘাতকের কারণে। মাদুরোর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ওই ব্যক্তি প্রতিনিয়ত ভেনেজুয়েলান প্রেসিডেন্টের তথ্য মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র কাছে পাঠাচ্ছিলেন। ফলে অভিযানের সময় মাদুরোর অবস্থান ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে আগে থেকেই নিশ্চিত ছিল যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু কে ছিল সেই ‘মীর জাফর শনিবার (১৭ জানুয়ারি) তাদের এক বিশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মাদুরোকে বন্দি করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিয়োসদাদো কাবেলোর সঙ্গে আলোচনা করছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ৬২ বছর বয়সী কাবেলোকে যুক্তরাষ্ট্র সতর্ক করে জানিয়েছিল, তার অধীনে থাকা নিরাপত্তা বাহিনী কিংবা ক্ষমতাসীন দলের সশস্ত্র সমর্থকদের ব্যবহার করে যেন বিরোধীদের ওপর দমন-পীড়ন চালানো না হয়।

কাবেলোর নিয়ন্ত্রণাধীন এই নিরাপত্তা কাঠামোর মধ্যে রয়েছে গোয়েন্দা সংস্থা, পুলিশ ও সশস্ত্র বাহিনী। গত ৩ জানুয়ারির মার্কিন অভিযানের পরও বড় ধরনের পরিবর্তন ছাড়াই কার্যকর রয়েছে এসব বাহিনী।

যুক্তরাষ্ট্র মাদুরোকে যে অভিযোগে তুলে নিয়েছে, সেই একই মাদক পাচার মামলায় নাম রয়েছে কাবেলোরও। তবে অভিযানের সময় তাকে বন্দি করেনি ট্রাম্প প্রশাসন।ট্রাম্প প্রশাসনের শুরুর দিক থেকেই কাবেলোর সঙ্গে এই যোগাযোগ শুরু হয় এবং মাদুরোকে সরানোর ঠিক আগের সপ্তাহগুলোতেও তা চলে। মাদুরো অপসারণের পরও কাবেলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র যোগাযোগ রাখছে বলে চারটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।এই যোগাযোগ এখন ভেনেজুয়েলার ভেতরের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের আশঙ্কা, কাবেলো যদি তার নিয়ন্ত্রণাধীন বাহিনীকে পুরোপুরি মাঠে নামান, তাহলে দেশজুড়ে বিশৃঙ্খলা তৈরি হতে পারে এবং অন্তর্র্বতী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের ক্ষমতা ধরে রাখা কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

তবে যুক্তরাষ্ট্র ও কাবেলোর আলোচনায় ভেনেজুয়েলার ভবিষ্যৎ শাসনব্যবস্থা নিয়ে কোনো সমঝোতা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। কাবেলো যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তা মানছেন কি না, সেটিও অনিশ্চিত। তিনি প্রকাশ্যে রদ্রিগেজের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিতে মাদুরো-পরবর্তী ভেনেজুয়েলা কৌশলের কেন্দ্রবিন্দু ডেলসি রদ্রিগেজ হলেও বিশ্লেষকদের মতে, সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন বা ভেস্তে দেওয়ার ক্ষমতা রয়ে গেছে কাবেলোর হাতেই। একটি সূত্র জানায়, কাবেলো সরাসরি এবং মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page