স্টাফ রিপোর্টার ঃ
রাজধানী ১নং সায়দাবাদের স্থায়ী বাসিন্দা ছিলেন মরহুম জানু বেপারি। জীবদ্দশায় তিনি ছিলেন নম্র,ভদ্র ,জনদরদী ও সমাজসেবক।আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে ২রা মার্চ ১৯৮৮ সাল, রোজ বুধবার তিনি ইন্তেকাল করেন। দীর্ঘ ৩৮ বছর পর তার ছোটছেলে জুলহাস জুয়েল তার বাবা কে পরম শ্রদ্ধায় স্মৃতি চারন করেন এবং তার ফেসবুকে আইডিতে একটি আবেগঘন উক্তিলিখেন যা সায়দাবাদের বাসিন্দাদের মনে সাড়া জাগিয়ে ছে।
মরহুম জানু মিয়া একজন গর্বিত পিতা ছিলেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে তার বড় ছেলে আনোয়ার হোসেন মুক্তিযোদ্ধারকমান্ডার ছিলেন।
জুলহাস জুয়েল তার ফেসবুক আইডি তে উল্লেখ করেন–“আজকের এই বিষন্ন দিনটি এলেই ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টে মনটা৩৮ বছর আগের সেই দিনটিতে ফিরে যায়। দেখতে দেখতে দীর্ঘ ৩৮টি বছর পার হয়ে গেল, অথচ আজও মনে হয় এই তোসেদিন—বাবা আমাদের আগলে রেখেছিলেন তার পরম মমতায়।
বাবার শূন্যতা যে কতটা গভীর, তা কেবল যার বাবা নেই সেই বোঝে। দীর্ঘ এই চার দশকে পৃথিবী অনেক বদলেছে, আমাদেরজীবনও পাল্টেছে অনেকখানি, কিন্তু বাবার সেই অভাবটা একবিন্দুও কমেনি। প্রতিটি খুশিতে, প্রতিটি সংকটে এখনো মনে হয়—বাবা থাকলে হয়তো আজ মাথার ওপর একটা শক্ত ছাদ থাকত।
বাবার শেখানো সেই আদর্শ, সততা আর মূল্যবোধগুলোই আজ আমাদের পথ চলার পাথেয়। তিনি নেই, কিন্তু তার স্মৃতি আরদোয়া সবসময় আমাদের ছায়ার মতো ঘিরে রাখে।
আজকের এই দিনে পরম করুণাময় আল্লাহর কাছে আকুল প্রার্থনা করি—হে আল্লাহ, আপনি আমার বাবাকে জান্নাতুলফেরদাউসের সর্বোচ্চ স্থান দান করুন। তাকে কবরের আজাব থেকে মুক্তি দিন এবং পরকালে শান্তিতে রাখুন।
সবাই আমার বাবার আত্মার মাগফেরাতের জন্য দোয়া করবেন।
’রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বায়ানি সাগিরা‘
আব্বু র মৃত্যু সাল, ০২/০৩/১৯৮৮ সাল, রোজ বুধবার ,মরহুম জানু বেপারি