নিউজ ডেস্ক: বেশ ঢাকঢোল পিটিয়ে ডিএমপি রিকশা-অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে ঢাকার বিভিন্ন সড়কের প্রবেশমুখে ‘ট্র্যাপার’ বসানো হয়েছিল। বেশ কিছু স্থানে লোহার তৈরি এসব ‘ট্র্যাপার’ বসানো হলেও কোনো কাজে আসেনি। উল্টা সড়কে স্থাপিত সেসব ট্র্যাপার এখন গায়েব হয়ে গেছে।
ব্যাটারিচালিত রিকশা ও অটোরিকশাচালকদের সঙ্গে ইঁদুর-বিড়াল খেলায় হার মেনে পিছু হটেছে ডিএমপি। দাপুটে জয়ে আগের মতো রাজধানীর প্রধান সড়কগুলোকে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে রিকশাচালকরা।
কাকরাইলে আইডিইবি ভবনের পাশের সড়ক, মৎস্যভবন সংলগ্ন মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের পাশের সড়ক, রমনা পুরোনো থানার সামনে এবং তারই ঠিক বিপরীত পাশে ইস্কাটন গার্ডেন সড়কের মুখে ট্র্যাপার বসানো হয়েছিল। এই ট্র্যাপার পেরিয়ে প্রধান সড়কে রিকশা যেতে চাইলে লোহার খাঁজে রিকশার চাকা আটকে যেতো। সেই পরিকল্পনা থেকেই ডিএমপি এই উদ্যোগ নিয়েছিল।
কিন্তু ট্র্যাপার বসানোর পর থেকেই কৌশলী পথ অবলম্বন করে ডিএমপির উদ্যোগকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে ট্র্যাপারের ওপর দিয়ে চলাচল শুরু করে রিকশাগুলো। পরীক্ষামূলক এই পদ্ধতি কাজে না লাগায় থেমে যায় ডিএমপির এই প্রকল্প। ফলে যেসব স্থানে এই ট্র্যাপার বসানো হয়েছিল সেগুলোও এখন নেই বললেই চলে। শুধু রমনা পুরোনো থানার সামনের সড়ক মুখে অকার্যকর অবস্থায় ভেঙে পড়ে থাকতে দেখা গেছে। এছাড়া বাকি স্থানগুলোর কোথাও এই ট্র্যাপারের দেখা মেলেনি।
এই ট্র্যাপারগুলো চুরি হয়ে গেছে নাকি কাজে না লাগার ফলে ডিএমপির পক্ষ থেকে খুলে নেওয়া হয়েছে সে বিষয়ে বলতে পারেন না স্থানীয়রা।
এ প্রসঙ্গে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান বলেন, ‘আমরা দুইটা স্থান থেকে ট্র্যাপারগুলো সরিয়ে নিয়েছি। বাকিগুলো আমরা সরাইনি। আসলে লোকজনের সঙ্গে পারা যায় না। এটাকে বিভিন্নভাবে পিটিয়ে সমান করে ফেলে। কোথাও আবার এই ট্র্যাপারগুলোর ওপর সিমেন্ট ঢেলে দিয়েছে। কেউ কেউ এগুলো উঠিয়ে ফেলার চেষ্টা করে।’