May 30, 2026, 11:55 pm
শিরোনামঃ
সাব-রেজিস্ট্রারদের নিয়ন্ত্রক এখন টুকুর পিএস আবু বকর ! গ্রাবজো রেস্টুরেন্টের উদ্বোধন ষড়যন্ত্রের শিকার এলজিইডি অফিস সহকারী হারুন:সম্মানহানির উদ্দেশ্যে অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা প্রধানমন্ত্রীকে দুটি দুর্লভ ছবি উপহার মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাব-রেজিস্ট্রার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ! এ এম স্কুল এন্ড কলেজে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়া অনুষ্ঠিত এ এম স্কুল এ্যান্ড কলেজে রঙে-ঐতিহ্যে বর্ণিল আনন্দ-উচ্ছ্বাসে বাংলা নববর্ষ উদযাপিত সাব-রেজিস্ট্রার বদলিতে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের দুর্নীতির নেপথ্যে রমজান-মাইকেল চক্র নরসিংদীর২২তম জেলা প্রশাসক- ইসরাত জাহান কেয়া মাধবদী থানায় সেবার নতুন দিগন্ত: ওসি কামাল হোসেনের নেতৃত্বে বদলে যাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি

জীবন বাঁচাতে থাইল্যান্ডে পালাচ্ছে মিয়ানমার সীমান্তের বাসিন্দারা

Reporter Name

মিয়ানমারের কারেন রাজ্যে জান্তা বাহিনীর সাথে তুমুল লড়াই চলছে বিদ্রোহী গোষ্ঠীর। জীবন বাঁচাতে পালিয়ে থাইল্যান্ডে যাচ্ছে সীমান্তের বাসিন্দারা। এমন অবস্থায় নিজেদের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে থাই কর্তৃপক্ষ। খবর ইরাবতির।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের থাইল্যান্ড সীমান্তবর্তী কারেন রাজ্য উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে। জান্তা বাহিনীর সাথে লড়ছে বিদ্রোহী কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়েনের যোদ্ধারা।

সম্প্রতি সীমান্তবর্তী মায়াওয়ারি শহরের একটি সামরিক ঘাঁটি নিজেদের দখলে নিয়েছে বিদ্রোহীরা। আত্মসমপর্ণ করেছে শত শত সেনা, পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা বলে দাবি তাদের।

ইরাবতি বলেছে, পুরো রাজ্য নিজেদের দখলে নেয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে বিদ্রোহীরা। তাদের সাথে পেরে উঠছে না জান্তা বাহিনী। সংঘাত বাড়তে থাকায় জীবন বাঁচাতে প্রতিবেশী থাইল্যান্ডে পালিয়ে যাচ্ছে সীমান্তের বাসিন্দারা।

এদিকে, এই পরিস্থিতেতে বুধবার (১০ এপ্রিল) নিজেদের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে থাইল্যান্ড সরকার। মিয়ানমারের সাথে লাগোয়া প্রতিটি এলাকায় বাড়তি সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। যারা সীমান্ত পার হয়ে প্রবেশ করছে তাদেরকে তল্লাশি করেই নিজেদের দেশে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে।

থাইল্যান্ড ও মিয়ানমারের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত শহর হচ্ছে মায়াওয়ারি। দুই দেশের মধ্যে বেশিরভাগ ব্যবসা বাণিজ্য হয় এই রুটে। তবে, যেভাবে বিদ্রোহীরা এগিয়ে যাচ্ছে তাতে অচিরেই জান্তা সরকার পরাজিত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কারেন বাদে রাখাইনেও শক্ত অবস্থানে বিদ্রোহীরা। অন্যান্য সীমান্তেও নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করছে তারা। তাদেরকে সমর্থন দিচ্ছে মিয়ানমারের জাতীয় ঐক্য সরকার। সবার লক্ষ্য হচ্ছে জান্তা সরকারকে হটিয়ে গণতান্ত্রিক সরকারে ফিরে যাওয়া।

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে গণতান্ত্রিক সরকারকে হটিয়ে মিয়ানমারের ক্ষমতা দখল করে জান্তা। এরপর থেকেই তাদের বিরুদ্ধে লড়ছে বিদ্রোহীরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page