May 30, 2026, 11:38 pm
শিরোনামঃ
সাব-রেজিস্ট্রারদের নিয়ন্ত্রক এখন টুকুর পিএস আবু বকর ! গ্রাবজো রেস্টুরেন্টের উদ্বোধন ষড়যন্ত্রের শিকার এলজিইডি অফিস সহকারী হারুন:সম্মানহানির উদ্দেশ্যে অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা প্রধানমন্ত্রীকে দুটি দুর্লভ ছবি উপহার মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাব-রেজিস্ট্রার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ! এ এম স্কুল এন্ড কলেজে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়া অনুষ্ঠিত এ এম স্কুল এ্যান্ড কলেজে রঙে-ঐতিহ্যে বর্ণিল আনন্দ-উচ্ছ্বাসে বাংলা নববর্ষ উদযাপিত সাব-রেজিস্ট্রার বদলিতে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের দুর্নীতির নেপথ্যে রমজান-মাইকেল চক্র নরসিংদীর২২তম জেলা প্রশাসক- ইসরাত জাহান কেয়া মাধবদী থানায় সেবার নতুন দিগন্ত: ওসি কামাল হোসেনের নেতৃত্বে বদলে যাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি

নরসিংদীর মাধবদীতে ধর্ষণের বিচার চাইতে গেলে বাবার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে কিশোরী আমেনা বেগমকে গনধর্ষণের পর হত্যা

Reporter Name

 

আবুনাঈমরিপন:স্টাফ রিপোর্টার :
নরসিংদীর সদর উপজেলার মাধবদীতে ধর্ষণের ঘটনা চাপা দিতে প্রায় ১৫ দিন পর কিশোরীকে বাবার কাছ থেকে জোর পূর্বক তুুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় স্থানীয় বিএনপির নেতাসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট।


গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মহিষাশুড়া ইউনিয়ন এর বিএনপির সহ-সভাপতি আহম্মদ আলী দেওয়ান,তার ছেলে ইমরান দেওয়ান,ধর্ষক নূরার চাচাতো ভাই মোহাম্মদ আইয়ুব,এবায়দুল্লাহ এবং মোঃ গাফ্ফার মিয়া। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার ২০২৬ ইং রাতে নিহত কিশোরী আমেনা বেগম (১৫) এর মা ফাহিমা বেগম বাদী হয়ে মাধবদী থানায় ৯ জনের নাম উল্লেখ করে ধর্ষণের পর হত্যা মামলা দায়ের করেন। রাতেই নরসিংদীর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট পৃথক অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেফতার করেন। উল্লেখ্য,গত ১৫ দিন আগে নূরার নেতৃত্বে ৫/ ৬ জন বখাটে ওই কিশোরীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। এই ঘটনায় স্থানীয় মেম্বার ও ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি আহম্মদ আলী দেওয়ান বিচার করার দায়িত্ব নেন। তবে অভিযোগ উঠেছে, তিনি অপরাধীদের সঙ্গে আর্থিক রফাদফা করে মোটা অংকের অর্থ আত্মসাৎ করেন এবং কোনো বিচার না করেই ঘটনাটি ধামাচাপা দেন এবং ধর্ষিতার বাবা ও তার পরিবারকে গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেন।
ঘটনার বিচার না হওয়ায় অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। ধর্ষণের ঘটনা ১০/২/২৬ ইং ঘটনার পর বখাটে চক্রটি ভিকটিম কিশোরীকে তার অসহায় বাবার কাছ থেকেই ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে তাকে পুনরায় গণধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করে। মহিষাশুরা ইউনিয়ন এর কোতালিরচর দড়িকান্দীর একটি সরিষা ক্ষেত্রে ধর্ষিতা কিশোরী আমিনা বেগম(১৫)কে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। এলাকাবাসীর অভিযোগ প্রভাবশালী এই অপরাধী চক্রটি টাকার বিনিময়ে আইনের চোখ ফাঁকি দিয়ে, নিজেদের রক্ষা করতে তদবির বানিজ্য করছে। যাতে কোনভাবে অপরাধীরা রক্ষা না পায়,
সেদিকে খেয়াল রাখার জন্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন এলাকাবাসী। উক্ত ঘটনা সরজমিনে তদন্ত করতে আসেন,ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি ও নরসিংদীর পুলিশ সুপার ও অন্যান্য কর্মকর্তাগণ নরসিংদীর মাধবদীতে ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেন। এবং সুষ্ঠ বিচারের আশ্বাস দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page