July 31, 2026, 4:12 am
শিরোনামঃ
গ্রাবজো রেস্টুরেন্টের উদ্বোধন ষড়যন্ত্রের শিকার এলজিইডি অফিস সহকারী হারুন:সম্মানহানির উদ্দেশ্যে অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা প্রধানমন্ত্রীকে দুটি দুর্লভ ছবি উপহার মার্কিন রাষ্ট্রদূতের এ এম স্কুল এন্ড কলেজে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়া অনুষ্ঠিত এ এম স্কুল এ্যান্ড কলেজে রঙে-ঐতিহ্যে বর্ণিল আনন্দ-উচ্ছ্বাসে বাংলা নববর্ষ উদযাপিত নরসিংদীর২২তম জেলা প্রশাসক- ইসরাত জাহান কেয়া মাধবদী থানায় সেবার নতুন দিগন্ত: ওসি কামাল হোসেনের নেতৃত্বে বদলে যাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কালীগঞ্জে ইস্টার সানডে উপলক্ষ্যে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ সরকারি জমি আত্মসাৎ মামলায় সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ আসামির বিরুদ্ধে চার্জগঠন ২০ মে মাদারীপুরে ৪দিনের অনশনে ফিরে পেলেন স্ত্রী

এবার যুগ্ম সচিবকে জিম্মি করে ৬ লাখ টাকা দাবি

Reporter Name

নিউজ ডেস্ক: পরিকল্পনা কমিশনের কার্যক্রম বিভাগের যুগ্মপ্রধান (যুগ্ম সচিব) মাকসুদা হোসেনকে তারই সরকারি গাড়িতে জিম্মি করে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে গাড়িচালকের বিরুদ্ধে। প্রায় চার ঘণ্টা ধরে তাকে আটকে রেখে চালক ৬ লাখ টাকা দাবি করেন বলে জানা গেছে। ঘটনার পর অভিযুক্ত চালককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।অভিযুক্ত চালকের নাম আউয়াল। তিনি প্রায় দুই মাস আগে যুগ্ম সচিবের ব্যক্তিগত গাড়িচালক হিসেবে নিয়োগ পান।

সূত্র জানায়, বুধবার সকাল ৮টার পর ধানমন্ডির বাসা থেকে অফিসের উদ্দেশে রওনা দেন যুগ্ম সচিব মাকসুদা হোসেন। তবে চালক গাড়িটি পরিকল্পনা কমিশনে না নিয়ে প্রথমে উত্তরা দিয়াবাড়ি, পরে টঙ্গী ও ভাষানটেক এলাকায় ঘোরাতে থাকেন। একপর্যায়ে অফিসে নেওয়ার আশ্বাস দিলেও চালক গাড়ির ভেতরেই তাকে জিম্মি করে টাকা দাবি করেন। পরে গাড়িটি আবার টঙ্গী হয়ে সাভারের হেমায়েতপুরের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়।

এই পরিস্থিতিতে সকাল ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশের সহায়তা চাইতে গেলে চালক তার কাছ থেকে ফোনটি কেড়ে নেন। পরে গাড়ি ঘুরিয়ে আবার উত্তরা দিয়াবাড়িতে নেওয়া হয়। এভাবে প্রায় চার ঘণ্টা গাড়িতে আটকে রাখা হয় ওই কর্মকর্তাকে। শেষ পর্যন্ত প্রাথমিকভাবে ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার সম্মতি এবং মোট ৬ লাখ টাকা দেওয়ার আশ্বাস দিলে তিনি মুক্তি পান।

এ বিষয়ে যুগ্ম সচিব মাকসুদা হোসেন বলেন, অভিযুক্ত চালক আগে তার এক সহকর্মীর গাড়িচালক ছিলেন। দুই মাস ধরে তিনি তার গাড়ি চালাচ্ছিলেন। প্রতিদিনের মতো অফিসে যাওয়ার সময় চালক তাকে জিম্মি করে রাখেন এবং ফোন কেড়ে নেন।

তিনি জানান, এ ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং ইতোমধ্যে চালক শেরেবাংলা নগর থানার পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।

মাকসুদা হোসেন বলেন, পরে জানতে পেরেছেন চালকের বিরুদ্ধে আগেও দুটি মামলা ছিল- একটি মাদকসংক্রান্ত এবং অন্যটি রাজনৈতিক। নিয়োগের সময় বিষয়গুলো তার জানা ছিল না। ঘটনার পর মানসিকভাবে বিপর্যস্ত বলেও জানান তিনি।

পরিকল্পনা বিভাগের সচিব শাকিল আখতার বলেন, অভিযুক্ত চালক একজন মাদকাসক্ত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ভয়ভীতি দেখিয়ে ওই কর্মকর্তার কাছ থেকে টাকা আদায়ের চেষ্টা করা হয়েছিল। এ ঘটনায় চালকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page