নোয়াখালী সংবাদদাতা: স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অফিস সহকারী মো.হারুনুর রশিদের বিরুদ্ধে সম্প্রতি একটি স্বনামধন্য জাতীয় দৈনিক ও লক্ষ্মীপুর থেকে প্রকাশিত মেঘনার তীর নামক একটি পত্রিকা এবং নামসর্বস্ব কয়েকটি অনিবন্ধিত অনলাইন প্রোর্টালসহ কয়েকটি অনলাইন প্রোর্টালে আনীত অভিযোগকে ভিত্তিহীন,উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে দাবি করেছেন তিনি।
হারুনুর রশিদের দাবি, একটি স্বার্থান্বেষী ও দুর্নীতিবাজ চক্র তার দীর্ঘদিনের অর্জিত সম্মান ক্ষুণ্ণ করতে এবং তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতেই এ ধরনের মিথ্যা তথ্য ছড়িয়েছে।
বর্তমানে ফেনীর সোনাগাজীতে কর্মরত হারুনুর রশিদ জানান, তিনি কমলনগর উপজেলা এলজিইডি অফিসে থাকাকালীন অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বলেন, আমি বর্তমানে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় ওই অফিসের একটি নির্দিষ্ট লুটপাটকারী চক্র সাংবাদিকদের ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে এই সংবাদটি করিয়েছে। এটি মূলত একটি 'তথ্য সন্ত্রাস' ছাড়া আর কিছুই নয়।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, যদি তিনি সত্যিই কোনো অনিয়ম করতেন, তবে কমলনগর কর্মরত থাকা অবস্থায় কেন কোনো অভিযোগ ওঠেনি? এখন কর্মস্থল পরিবর্তনের পর কেন এই কাল্পনিক অভিযোগ আনা হচ্ছে, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন জেগেছে। পারুল বেগম নামে এক নারীর কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে হারুনুর রশিদ স্পষ্ট করেন যে, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় অর্থ জমা দেওয়া হয়েছে। তিনি কোনো ব্যক্তিগত সুবিধা গ্রহণ করেননি বরং সরকারি বরাদ্দ প্রাপ্তিতে সহযোগিতা করেছেন মাত্র।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, দাপ্তরিক প্রক্রিয়া শেষ হলেই সংশ্লিষ্ট পরিবার তাদের সুবিধা পেয়ে যাবেন। হারুনুর রশিদ বলেন, কমলনগর অফিসে থাকাকালীন তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। তার কারণে যারা অবৈধ সুবিধা নিতে পারেনি, তারাই এখন জোটবদ্ধ হয়ে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এই চক্রটি মূলত নিজেদের অপকর্ম আড়াল করতেই তাকে বলির পাঁঠা বানানোর চেষ্টা করছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তার সাবেক কয়েকজন সহকর্মী জানান, হারুনুর রশিদ একজন কর্মঠ ব্যক্তি ছিলেন। তবে অফিসের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির কারণে তাকে বারবার হেনস্তা করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। পরিশেষে, হারুনুর রশিদ এই ভিত্তিহীন সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও সাধারণ মানুষকে এসব গুজবে কান না দেওয়ার অনুরোধ করেছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমেই তার বিরুদ্ধে ওঠা ষড়যন্ত্রের মুখোশ উন্মোচিত হবে। নিবেদক: হারুনুর রশিদ অফিস সহকারী স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি), সোনাগাজী উপজেলা, ফেনী।
