আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ২০২৪ সালের অগাস্ট থেকে অনেকটা পালিয়ে থাকা মাচাদো চাইছেন, তার নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্তিতে সৃষ্ট মনোযোগকে কাজে লাগিয়ে ভেনেজুয়েলার ‘গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে’ বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে।
স্পেনের মাদ্রিদ, নেদারল্যান্ডসের উতরেখ্ট, আর্জেন্টিনার বুয়েনস আইরিস, পেরুর লিমা, অস্ট্রেলিয়ার ব্রিজবেনসহ বিশ্বের একাধিক শহরে শনিবার সমাবেশ করেছেন ভেনেজুয়েলার ৫৮ বছর বয়সী বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদোর সমর্থকরা।
দক্ষিণ আমেরিকার দেশটির ‘গণতান্ত্রিক রূপান্তর নিশ্চিতে’ তার নিরলস সংগ্রামের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এ বছরের নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে।
বুধবার নরওয়েতে নোবেলজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়ার কথা; তার আগে শনিবার বিশ্বের একাধিক দেশে মাচাদোর সমর্থকরা সমাবেশ করেছে বলে জানিয়েছে আল জাজিরা।
পেরুর রাজধানী লিমায় জড়ো হওয়া সমর্থকরা মাচাদোর প্রতিকৃতি নিয়ে উপস্থিত হন এবং ‘মুক্ত ভেনেজুয়েলার’ দাবি তোলেন।
এদেরই একজন ভেরোনিকা দুরান, ৪১ বছর বয়সী এ ভেনেজুয়েলার নাগরিক ৮ বছর ধরে লিমায় থাকছেন। তার মতে, মাচাদোর নোবেল পুরস্কারজয় উদ্যাপিত হওয়া উচিত কারণ এটি ‘ভেনেজুয়েলার সবার, যারা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে প্রাণ হারিয়েছেন বা রাজনৈতিক বন্দি হয়েছেন তাদের প্রতিনিধিত্ব করে’।
২০২৪ সালের অগাস্ট থেকে অনেকটা পালিয়ে থাকা মাচাদো চাইছেন, তার পুরস্কারপ্রাপ্তিতে সৃষ্ট মনোযোগকে কাজে লাগিয়ে ভেনেজুয়েলার ‘গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে’ বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে।